মানুষের মূল্য নির্ভর করে – সময়কে সে যে ভাবে মূল্যায়ন করে তার উপর
সময় যেন স্রষ্টার হাত,যা তার সাথে সব কিছুকে এক নির্দিষ্ট দিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। কেউ এর কারণ বুঝতে পারে আর একে দেখে স্রষ্টার দেয়া অভিজ্ঞ বুদ্ধিমত্তার আলোকে। এরাই প্রত্যেক দিনের সময়কে আকরে ধরে আর স্রষ্টার দেয়া বুদ্ধিমত্তার সাথে তাদের জীবনকে সরল পথে চালিত করতে সক্ষম হয়। অন্যরা সময়কে দেখে খণ্ডিত বিচ্ছিন্ন অবস্থায়,অনেকটা উত্তল বা অবতল আয়নায় দেখার মত,যেখানে কাছের জিনিসকে দূরে আর দূরের জিনিষকে খুব কাছে মনে হয়। এই ভুল বুঝার কারণ তারা সময়কে স্রষ্টার হাতের সাথে তুলনা করতে পারে না। বুঝতে পারে না যে উদ্দেশ্যে স্রষ্টা আমাদের এই “সময় ও স্থানের” এক বদ্ধ জগতে আবদ্ধ করে দিয়েছেন। যে অভাবনীয় সুযোগ তিনি আমাদের দিয়েছেন নিজেদের পরিশুদ্ধ করে নেয়ার ও প্রতিকুল পরিবেশে সংগ্রামের মাধ্যমে উন্নত গুণাবলী অর্জনের। আর এভাবেই যাতে আমরা তৈরি হয়ে উঠি সেই দিনের জন্য যে দিন আমরা তার সাথে পুনর্মিলিত হব। আধ্যাত্মিক বাণীতে এমনও বলা হয়ে থাকে যে,“আদমের সন্তানেরা সময়ের মাঝে অভিশপ্ত আর আমিই সময়,আমার হাতেই দিন ও রাত্রির আবর্তন”। যারা এ সত্য এখনও বুঝতে পারেনি, সময় তাদের কাছে ঝামেলা পূর্ণ ও বিরক্তিকর বলে মনে হতে পারে। তাই ...